দুইটা ঘণ্টা ধরে ব্লগ পোস্ট লিখার জন্য Blue Whale নিয়ে এত্তোগুলা আর্টিকেল পড়লাম, পোস্ট পড়লাম কোথাও নির্দিষ্ট কোন তথ্য নাই

এক জায়গায় লিখা শুরুতে গেমটা এর ক্রিয়েটর চ্যাট এর মদ্ধে মানুষের সাথে খেলত। সেখান থেকে গেম বানায়।

এক জায়গায় লিখা গেম পাওয়া যায় লিঙ্ক এর মাধ্যমে, লিঙ্ক এ ক্লিক করলে কিছু ফাইল ডাউনলোড হয়, সেগুলা ইউজারের "গুপন" তথ্য হাতায় নেয়। সেটা দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে। হ্যাক করে আর কি। (কেমনে আইডিয়া পেতে হলে Snowden The Movie দেখতে হবে)

এইটা শিওর যে এটা নরমাল প্লেস্টোর/পিসি গেম এর মত ইন্সটল করার গেম না।

গেমটা নিয়ে মিথ আর গুজব ছাড়া কিছু পেলাম না। গেম এর মূল ক্রিয়েটর জেল এ আসে। সে জেলে থাকা অবস্থায় কেমনে গেম এখনো চলতেসে আমি বুঝতেসিনা।

এক জায়গায় দেখলাম, টর ইউজ করে ডার্ক ওয়েব এ নির্দিষ্ট সাইট এ গেমটা পাওয়া যায়। ডার্ক ওয়েব ডেঞ্জারাস একটা জায়গা। আমার ল্যাপটপ এ ঠাডা পড়ার আগে আমি একবার ট্রাই করতে গেসিলাম, কোন কারণে পারি নাই। মনে নাই। যেদিন করসি তার ২দিন পর ঠাডা পরায় আমি ধরেই নিসি গজব লাগসে ডার্ক ওয়েব এর। ভয়ে আমি আর ট্রাই করি নাই। জোক্স এপারট, ট্রাই করি নাই হুদাই আন্দাজি বাঁশ খাওয়ার।

গেমটা যে বানাইসে, পোলার কোন ধারণাই ছিল না যে তার এই গেম এর কারণে ২৪ আওয়ারস ডট কম কি পরিমাণ ক্লিক বিজনেস করবে। তিমি দেখসো বাঙ্গাল দেখ নাই। মেইন্সট্রিম মিডিয়াগুলাও একি কাজ করতেসে।

আমার ধারণা অধিকাংশ মিডিয়ারও ক্লিয়ার ধারণা নাই গেমটা নিয়া। প্রেমে ছেক খাইয়া হাত কাইটটা মরলেও তিমি মাছের দোষ।

Blue Whale কন্সেপটা কিরকম সেটা জানতে হলে দেখতে হবে Nerve মুভিটা। হাইলি রিকমেন্ডেড। এই মুভি বানানো হইসে ২০১৬ সালে আর Blue Whale বানানো হইসে ২০১৩তে(যদিও ২০১৬ তে ভাইরাল হয়)। আবার Nerve মুভি বানানো হইসে Jeanne Ryan এর Nerve বইরে ভিত্তি করে। তাই অনেকে এই বই থেকে ইন্সপায়ার হয়েও বানানো হইসে বলে।